পাইথনের বড় ধরনের দুইটা সংস্করণ আছে এবং এই দুইটি সংস্করণ আলাদাভাবে হালনাগাদ করা হয়। সংস্করণ দুইটি হল ২ এবং ৩। সাধারণ পাইথন ব্যবহার কারীরা প্রায়ই এটা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন। তারই ধারাবাহিকতা এবং নতুন ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে এখানে সামান্য কিছু আলোচনা করা

উভয় সংস্করণ

যদিও পাইথনের দুইটি ভিন্ন ভিন্ন সংস্করণ আছে, তবুও সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে এর মূলগত পার্থক্য নেই বললেই চলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখে যায় যে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই Structure এবং Function একই। সামান্য কিছু পার্থক্য থাকতে পারে। তাই নতুন ব্যবহারকারীদেরকে কোন সংস্করণ ব্যবহার করতে হবে এটা নিয়ে চিন্তা করে সময় নষ্ট করার চেয়ে পাইথন শেখার দিকে মনোনিবেশ করাই শ্রেয়।

২.X সংস্করণ

বর্তমানে এই সংস্করনটির ব্যবহার নেই বললেই চলে। যারা পূর্বে এটা নিয়ে কাজ করেছেন এবং নতুন সংস্করণে হালনাগাদ করা হয়নি তারাই মূলত এই সংস্করণটি ব্যবহার করে থাকেন। কারণ অনেক প্যাকেজ আছে যেগুলোতে ২.X সংস্করণের support পাওয়া যায়না। যদি একেবারেই নতুন ব্যবহারকারী হন তাহলে এই সংস্করণটি ব্যবহার না করাই শ্রেয়।

৩.X সংস্করণ

এটি পাইথনের সর্বশেষ সংস্করণ। নতুন ব্যবহারকারী হলে অন্য কিছু চিন্তা না করে এটা শেখাই শুরু করা উচিৎ। যেকোন ধরণের application, যেমন- ডিপ লার্নিং, মেশিন লার্নিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, বিগ ডাটা অ্যানালাইসিস ইত্যাদি যেকোন Framework বা API, সবাই এই ৩.X সংস্করণটি ব্যবহার করে থাকে। তবে বলা বাহুল্য, একসময় ২.X সংস্করণটি বাতিল হয়ে যাবে, শুধু ৩.X ই থাকবে।

ব্যক্তিগত অভিমত

আমি সবসময় বলে থাকি যে, প্রোগ্রামিং ভাষা কোন বড় বিষয় নয়। একইভাবে কোন ভাষার কোন সংস্করণটি ব্যবহার করব এটাও কোন বড় বিষয় নয়। একটা জানলে আর একটা শিখতে খুবই সামান্য সময়েই শিখে নেওয়া যায়। এই পোস্টের প্রেক্ষাপটে আমি বলব – যদি কেউ নতুনভাবে পাইথন শিখতে চায় তাহলে ৩.X ছাড়া অন্য কোন সংস্করন ব্যবহার করার প্রশ্নই ওঠেনা।